ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫ , ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সুন্দরবনে লাগা আগুনের বিস্তার ঠেকানোর চেষ্টা অব্যাহত

পানি সংকটে আগুন নেভানোর কাজে ব্যাঘাত

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ২৪-০৩-২০২৫ ০২:৪৭:১৮ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২৪-০৩-২০২৫ ০৬:৪৯:৫১ অপরাহ্ন
পানি সংকটে আগুন নেভানোর কাজে ব্যাঘাত সংবাদচিত্র: সংগৃহীত
সুন্দরবনের পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ধানসাগর স্টেশন সংলগ্ন তেইশের ছিলা এলাকায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিস ও বনবিভাগ। পানির অভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ কার্যত থমকে গেছে।

সোমবার (২৪ মার্চ) দুপুর পর্যন্ত ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী ভোলা নদীতে ভাটা চলছিল। নদীতে পানি না থাকায় পানির পাম্প বন্ধ রাখতে হয়েছে কর্তৃপক্ষকে। স্থানীয়রা বলছেন, ভোলা নদীতে জোয়ারের পানি আসতে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হয়ে যেতে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দা আনসার হাওলাদার বলেন, “ভোলা নদীতে নাব্য না থাকায় ভাটার সময় একেবারে পানি থাকে না। বর্তমানে নদীতে জোয়ার ভাটার নিয়ম অনুযায়ী জোয়ারের পানি আসতে বিকেল হতে পারে। নদীতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি আসতে আসতে সন্ধ্যা হবে।”

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) কাজী মুহাম্মদ নূরুল করিম বলেন, “আমরা রাত থেকেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, কিন্তু নদীতে পানি না থাকায় আগুনে পানি ছিটানো যাচ্ছে না। আগুন যাতে বিস্তৃত এলাকা ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য বনকর্মীরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। জোয়ার এলেই পাম্প চালিয়ে পানি দেওয়া হবে আগুনে।”

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আবু বক্কর জামান বলেন, “আগুন নেভানোর জন্য প্রচুর পানি দরকার। পানির অভাবে সেটি সম্ভব হচ্ছে না। রাতে কয়েক ঘণ্টা পানি ছিটাতে পারলেও নদীতে ভাটা হওয়ায় এখন পর্যন্ত পাম্প চালু করা সম্ভব হয়নি। ভাটা শেষে ভোলা নদীতে জোয়ারের পানি এলে আবারো পাম্প চালু করব। পানি না থাকায় বন বিভাগ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা আশপাশের এলাকায় ফায়ার লাইন কেটে আগুনের বিস্তার ঠেকানোর চেষ্টা করছেন।”

বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স


এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ